দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় ইটভাটা মালিক মতিয়ারের বিরুদ্ধে অর্ধলাখ টাকা মূল্যের সরকারি রাস্তার গাছকাটার অভিযোগ
দামুড়হুদা প্রতিনিধি: দামুড়হুদা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে সড়কের পাশের সরকারি একটি বড় নিমগাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে ইটভাটা ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে। তিনি কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের মৃত জামাত আলীর জামাই ও এমআর ব্রিকস্ ইটভাটার পরিচালক। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত পরশু সোমবার সকালে দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের দুর্গাপুর-নতুনপাড়া গ্রামের মধ্যে সড়কের পাশের ১টি বড় দেশীয় নিমগাছ কাটার সময় স্থানীয় লোকজন ও ইউপি সদস্য উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেয়। খবর পেয়ে কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন (ভূমি) উপ সহকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছটি কাটতে দেখেন। এরপর গাছটি কাটতে নিষেধ করলে অভিযুক্ত বলেন, গাছটি আমার জমিতে তাই আমরা কাটছি। আপনাদের যদি সমস্যা থাকে তাহলে জমি মেপে বা জরিপ করে দেখেন। এরপর সার্ভেয়ার দিয়ে জমি মাপার পর দেখা যায় গাছটি সরকারি জমিতে। পরবর্তী সময়ে গাছকাটা হয়ে গেলে জব্দ করে কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের হেফাজতে দেয়া হয়। অভিযুক্ত কার্পাসডাঙ্গা এম আর ব্রিকস্’র পরিচালক মো. মতিয়ার রহমান বলেন, গাছটি আমাদের জমির আইলে ছিলো তাই কাটা হয়েছে। পরে গাছটি উদ্ধার করে কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে গেছে। কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন (ভূমি) উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গাছ কাটতে দেখতে পাই। এ সময় অভিযুক্তর জোর দাবিতে আমরা সার্ভেয়ার দিয়ে জমি মাপজোপ করে দেখি গাছটি সরকারি জমির। পরে গাছটি উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদের হেফাজতে দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রীয়াধীন। কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, তিনি একই রাস্তার পাশ থেকে পূর্বেও বেশ কয়েকটি গাছ কেটেছে বলে জেনেছি। গত দু’দিন আগেও একইভাবে আরও একটি মূল্যবান নিমগাছ কাটেন। বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমাকে গাছটি উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদের হেফাজতে নিতে বলেন। গাছটি বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের হেফাজতে আছে।
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়, কিন্তু ট্র্যাকব্যাক এবং পিংব্যাক খোলা.