কোটচাঁদপুরে আগুনে পুড়লো ৫টি পরিবারের সব

কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে অগ্নিকা-ে দরিদ্র ৫ পরিবারের স্বপ্ন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে কোটচাঁদপুর পৌর শহরের গাবতলাপাড়ায় এ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকা-ে স,মিলের মিস্ত্রি আজিজুল ইসলাম, মল্লিক, রিপন উদ্দিন পিতা মতলেব, মল্লিক, পিতা মৃত জেহের আলী, বাবলু পিতা মতলেব এদের সবার বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘরে থাকা এসব পরিবারের নগদ টাকা, গয়না, আসবাবপত্র ও খাদ্য সামগ্রী পুড়ে ছাই। দরিদ্র এই পরিবারগুলো শেষ সম্বল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তবে মহিদুল পিতা মৃত জেহের আলীর বসতবাড়ির আংশিক ক্ষতি হয়েছে বলে দেখা যায়।
কোটচাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা গেছে, রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ভুক্তভোগী পাঁচ পরিবারের দাবি অগ্নিকা-ে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। প্রতিবেশী বাচ্চু মিয়া বলেন, বিকেল ৪টার দিকে হঠাৎ চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। বাড়িগুলো ঘন ঘন হওয়ায় নিমিষেই আগুন সবগুলো ঘরে ছড়িয়ে যায়। আগুনের এতো তাপ যে কেউ কাছে যেতে পারছিল না। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে কোটচাঁদপুরের দুইটি ইউনিট ও পার্শ্ববর্তী কালিগঞ্জ থানা থেকে দুইটি ইউনিটে এসে ১ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স’মিল মিস্ত্রি আজিজুরের স্ত্রী বলেন, রান্নাঘরে ইফতারের জন্য ছোলা ও আলু সিদ্ধ করছিলাম হঠাৎ চুলা থেকে আগুন রান্নাঘর হয়ে সব ঘরে ছড়িয়ে যায়। আমার স্বামী স মিলে কাজ করে সংসার চালায়। অনেক কষ্ট করে কিছু গহনা কিনেছিলাম। সেগুলোও আর পাচ্ছি না। ঘরে খাবার যেগুলো ছিল সেগুলোও পুড়ে গেছে। ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়-চোপড় সব পুড়ে গেছে। কিছুই আর রইল না। তবে ঘরে নগদ পঁচিশ হাজার টাকা ছিল যা আংশিক পুড়ে গেছে যা পাওয়া গেছে তা চালানোর মত নয়। পাঁচটি পরিবার আগে থেকেই হতদরিদ্র। আগুনে সব পুড়ে গিয়ে এরা একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেল। পরনের কাপড় ছাড়া দরিদ্র ৫ পরিবারের আর কিছুই রইল না। কোটচাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের অফিসার মনিরুল ইসলাম জানান পানি না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ২ লক্ষ টাকার মত। আর ৪ লক্ষাধিক টাকার মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়, কিন্তু ট্র্যাকব্যাক এবং পিংব্যাক খোলা.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More