|
|
মাইকিং করে ডিসকাউন্ট ঘোষণা করলেও দেখা মেলেনি কাঙ্ক্ষিত ক্রেতাসাধারণের : ঈদের ৭ দিন বাকি থাকলেও নেই ঈদের কেনাকাটার ভিড়  বখতিয়ার হোসেন বকুল: ২৩টি রোজা পেরিয়ে গেছে, ঈদের আর মাত্র ৭ দিন বাকি। অথচ দামুড়হুদা বাজারে এখনও জমে উঠেনি ঈদের কেনাকাটার ভিড়। ব্যবসায়ীদের এ মন্দাভাব কাটাতে বেশকিছু ব্যবসায়ী ক্রেতাসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ইতোমধ্যেই মাইকিং করে দিয়েছেন। লোভনীয় ৩০ ভাগ ডিসকাউন্টের ঘোষণা। তারপরও দেখামেলেনি কাঙ্ক্ষিত ক্রেতাসাধারণের।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা বাজারের রাজধানী গার্মেন্টেসের সত্ত্বাধিকারী আব্দুল হাকিম জানালেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর কাস্টমার একেবারেই কম। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই কেউ কেউ ডিসকাউন্ট ঘোষণা করেছে। বাজারের বেশ কিছু ব্যবসায়ী জানালেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর কৃষক কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য কম হওয়ায় তাদের হাতে তেমন পয়সা-কড়ি না থাকায় এবং পোষাকের মূল্য অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি হওয়ায় ঈদের কেনাকাটা করতে ক্রেতাসাধারণ হিমসিম খাচ্ছেন। তাছাড়া রুচিশীল কাস্টমারগণের মধ্যে বেশির ভাগই কেনাকাটা করতে ছুটছেন জেলা শহরের মার্কেটগুলোতে।
জেলা শহরের মার্কেট থেকে ঈদের কেনাকাটা করে বাড়ি ফিরতিমুখি বেশ কিছু ক্রেতাসাধারণ এ প্রতিবেদককে জানালেন, ভাই ঈদ বলে কথা। পছন্দসই পোশাক চাই-ই চাই। দামুড়হুদা বাজারে রুচিশীল ও গুনগত মানের পোষাক খুব একটা পাওয়া যায়না তাই বাড়তি পয়সা খরচ করে রুচিশীল পছন্দের জিনিসটি কিনতেই দামুড়হুদা থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের নিউ মার্কেটে আসা। এখানে হরেক রকমের ডিজাইনের পোষাক থাকায় ঘুরে ঘুরে নিজের পছন্দসই পোষাকটি কেনা যায়। ঈদের আর মাত্র ১ সপ্তা বাকি থাকলেও শেষ দিনগুলোতে দেখা মিলবে কাঙ্ক্ষিত ক্রেতাসাধারণের এমনটাই প্রত্যাশা দামুড়হুদা বাজারের ব্যবসায়ীদের।
|
|