চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের মুখপত্র
  
 চুয়াডাঙ্গা, বৃহস্পতিবার, ০৯ আগস্ট ২০১২ সাল   
 
 আজকের পত্রিকা  প্রথম পাতা  শেষের পাতা  অন্যান্য পাতা  সম্পাদকীয়  Contact us  History of Chuadanga 
  আজকের সর্বশেষ সংবাদ      ¤ আজ শুভজন্মাষ্টমী ¤  ¤ মিঞা মো. মনসুর আলী ¤  ¤ মীর্জা সুলতান রাজা ¤  ¤ শায়খুল হাদিসের ইন্তেকাল ¤  ¤ গ্রহবাসীরা কি মঙ্গলেই, না অন্য কোথাও? ¤ 
 আজ পাঠক সংখ্যাঃ ১৯৯০ জন 
 এই পর্যন্ত পাঠক সংখ্যাঃ ৯৬৬৪৯৩১ জন 
 
 পুরানো সংখ্যা 
 

 
Zaman Group Click here
 
  
  
 
click here
 
  
 মঙ্গলগ্রহে কিউরিসিটি : সফল হোক অভিযান 

মঙ্গলগ্রহ সম্পর্কে কৌতুহল পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের নতুন নয়। গবেষণা করেই বিজ্ঞানীরা জেনেছেন, মঙ্গলগ্রহের মাটি লাল। আকাশ গোলাপী। পৃথিবীর চাঁদ একটি আর মঙ্গলগ্রহের দুটি। মঙ্গলগ্রহ সম্পর্কে মানুষের অপার কৌতূহল সেই আদিকাল থেকেই। কেন জানি জ্যোতিপদার্থ বিজ্ঞানী ও মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে এমন একটি ধারণা গড়ে উঠেছে যে, সময় সাপেক্ষ হলেও মহাশূন্যে মানুষের বিকল্প বসতি গড়ে তোলার জন্য এ লোহিত গ্রহটিই হবে সর্বাধিক উপযুক্ত স্থান।

পৃথিবীর বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, পরিবেশ বিপর্যয়সহ খাদ্য সংকটও দেখা দিতে শুরু করেছে ধীরে হলেও। বিজ্ঞানীদের সন্দেহ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নতি সত্ত্বেও পৃথিবী একদিন না একদিন শেষ পর্যন্ত বসবাসযোগ্য থাকবে না মানুষের জন্য। সেক্ষেত্রে অনিবার্যভাবে পাড়ি দিতে হবে অন্যত্র, হেথা নয় অন্য কোনো খানে, অন্য কোনো গ্রহে। তা না হলে মানুষের অস্তিস্ত বিলিন হবে বলে আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের। সেক্ষেত্রে মঙ্গলই হতে পারে মানুষের জন্য অন্যতম পছন্দনীয় স্থান। তবে এর জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি দরকার। প্রকল্পটিও নিঃসন্দেহে বিরাট ও ব্যয়বহুল। তবে আশার কথা হলো, এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা বসে নেই। ১৯৭৬ সাল থেকে মঙ্গলে প্রাণের সন্ধান নিয়ে গবেষণায় মেতেছেন বিজ্ঞানীরা। ২০০৬ সালে প্রথম লাল গ্রহটির চারপাশে চক্রমণ শুরু করে মার্স রিকোনাইসেন্স অরবিটার। এরপর পর্যায়ক্রমে মঙ্গলের মাটি স্পর্শ করেছে স্পিরিট ও অপরচুনিটি। সর্বশেষ মঙ্গলের মাটিতে সফল অবতরণে সক্ষম হয়েছে নাসার বিশেষ যান কিউরিঅসিটি বা কৌতূহল, বাংলাদেশ সময় গত সোমবার রাত ১১টা ৩২ মিনিটে। যথার্থ কৌতূহলই বটে। আড়াই বিলিয়ন ডলার প্রকল্পের অধীনে নির্মিত পারমাণবিক শক্তিচালিত রোবট খেয়াযান কিউরিঅসিটি বুস্টার রকেটের মাধ্যমে গত ৮ মাসে দীর্ঘ ৫৭ কোটি কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে প্যারাস্যুটের সাহায্যে নেমেছে মঙ্গলের এক গভীর গিরিখাতে। প্রায় ১ টন ওজনের কিউরিঅসিটি মূলত অত্যাধুনিক স্বয়ংচালিত এক বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার। বিজ্ঞানীদের আশা, রোবট খেয়াযানটি প্রায় দু বছর ধরে সেখানে অবস্থান করে চলতে চলতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে মঙ্গলের মাটি। রোভার যানটির রয়েছে শক্তিশালী ড্রিলসহ রোবোটিক হাত, দূর থেকে পাথর চূর্ণবিচূর্ণ করতে সক্ষম লেজার, রাসায়নিক গবেষণাগারসহ বিকিরণ মাপার ডিটেক্টর, সর্বোপরি প্রাণ বিকাশের আদি উৎস খুঁজে বের করার জন্য অণুজীব বা জৈব পদার্থ অন্বেষণের সক্ষমতা। কোনো না কোনোভাবে তা পেতে সক্ষম হলেই কিস্তিমাত। সেক্ষেত্রে বিজ্ঞানীদের পক্ষে প্রায় নিশ্চিতভাবে বলা সক্ষম হবে, সেখানে আদৌ মনুষ্যবসতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে কি-না আগামীতে। উত্তর ইতিবাচক হলে ২০২৩ সালের মধ্যেই সেখানে মানববসতি গড়ে তোলা সম্ভব হতে পারে।

মঙ্গল অভিযানে বিশ্বের অন্যান্য দেশও বসে নেই। রাশিয়া, ইতালি, ফ্রান্স ও চীনের বিজ্ঞানীরা মার্স-৫০০ নামে একটি নমুনা মহাকাশ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। প্রতিবেশী দেশ ভারতও ২০১৩ সাল নাগাদ মঙ্গলভিশন শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। নাসার এ অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে উপমহাদেশের অনেক বিজ্ঞানী, যাদের মধ্যে বাঙালিও রয়েছেন। সুতরাং স্বপ্ন দেখতে দোষ কী? বাংলাদেশও একদিন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে মঙ্গল অভিযানে। এ আশা অবশ্যই অবান্তর নয়। সে জন্য শিশুদের মধ্যে মহাকাশ সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। তাদের মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে বিজ্ঞানের স্বপ্ন। মানুষের জন্য সেই পথই উপযুক্ত করে দিতে সহায়ক হোক কিউরিসিটি।


 অনলাইন জরিপ 
 দৈনিক মাথাভাঙ্গা’র ওয়েব ঠিকানা www.mathabhanga.com সকলকে জানান। মাথাভাঙ্গার ইন্টারনেট সংস্করণ অব্যাহত রাখতে পাঠকসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। .................. ................................. ................................. চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের উন্নয়নে অন্যতম অন্তরায় বিদ্যুত। এ মন্তব্য সমর্থন করেন কি?  
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই
 এই জরিপ বন্ধ আছে। 
 ভোট দিয়েছেন ২৮২৫২ জন 

  
 
০৭৬১-৬৩৭৪৭, ০১৭১১৩৮৩৩০৩ 
 
পরীক্ষার ফলাফলের জন্য এখানে ক্লিক করুন