|
|
ঝিনাইদহের কৃষি খামারে নেরিকা ধান চাষে সফল : সাধারণ চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত
ডাকবাংলা প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কৃষকরা এ বছর নেরিকা ধান চাষ করে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সংবাদ বিভিন্ন পত্রপত্রিকাই প্রকাশিত হলে কৃষি বিভাগের টনক নড়ে। শুরু হয় অনুসন্ধান; কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নেমে আসেন মাঠে। ঝিনাইদহ জেলার আশপাশের জেলাগুলোতে হইচই পড়ে যায়। নেরিকা ধানের গুণগতমান নিয়ে প্রশ্ন উঠে আসে সাধারণ কৃষকের মনে, জমিতে কেনো ভালো ফলন হলো না নেরিকা জাতের ধান?
বিএডিসির খামারে রোপণ করা নেরিকা ধান দেখলে মনেই হয় না যে এ ধান ফলন হবে না, আর সাধারণ কৃষক এ ধান রোপণ করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পোতাহাটির সাজু মেম্বার বললেন, এ ধান চাষে কৃষক দক্ষ নয়, নেরিকা ধান চাষ করতে এর নিয়ম জেনেই চাষ করা উচিৎ। আর এ দায়িত্ব খোদ কৃষি বিভাগের। বিএডিসি সূত্রে জানা গেছে, নেরিকা ধান নিউ রাইস ফর আফ্রিকার সংক্ষিপ্ত নাম। এশিয়ান অরাইজা স্যাটাইভা’র সাথে আফ্রিকান অরাইজা গ্ল্যারিমা সংস্কার করে বর্তমান আফ্রিকা রাইস সেন্টার ১৯৯০ সালেইন্টারস্পেসিফিক নেরিকা জাতের ধান উদ্ভাবন সর্বপ্রথম সাফল্য। স্বীকৃতিস্বরূপ নেরিকা ধান উদ্ভাবনের জন্য ড. মন্টি জোন্সকে এবং ইয়ান লং পিং বিশ্বখাদ্য পুরস্কার ২০০৪ যৌথভাবে লাভ করেন। উপযুক্ত ব্যবস্থাপনায় নেরিকা ধানের ফলন হেক্টর প্রতি ৬ টন পর্যন্ত পাওয়া যায়, মধ্যম পর্যায়ের ব্যবস্থাপনায় হেক্টর প্রতি ৪ টন এবং সাধারণ ব্যবস্থাপনায় ২ টন পাওয়া যায়। নেরিকা ধানের ফলন নিয়ে যখন সাধারণ কৃষক দিশেহারা তখন সাধুহাটি কৃষি খামারের নেরিকা ধান সরেজমিনে দেখে বোঝা গেলো কৃষকের কোথায় ত্র“টি রয়েছে।
|
|