|
|
অপহরণ রহস্যের নেপথ্য উন্মোচনে পুলিশের নানামুখি পদক্ষেপ : ২ লাখ নয় জাকিরুলের মুক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দাবি!  স্টাফ রিপোর্টার: ২ লাখ নয়, জাকিরুল ইসলাম ওরফে জাকিরের মুক্তিপণ হিসেবে ৩ লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অপহৃতের বড় বোন জাহানারা খাতুন। তিনি বলেছেন, গত শুক্রবার হরিণাকুণ্ডু স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অসুস্থ ভাগ্নের শয্যাপাশে থাকাকালে অজ্ঞাত পরিচয়ের একজন মোবাইলফোনে তাকে ডেকে নেয়। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ হয়। একদিন পর তারই মোবাইলফোন দিয়ে অপরিচিত কণ্ঠে খুনের হুমকি দিয়ে ৩ লাখ টাকা মু্ক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে। অপরদিকে পুলিশ বলেছে, অপহরণ রহস্যের নেপথ্য উন্মোচনে নানামুখি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
অপহৃত জাকিরুল ইসলাম ওরফে জাকির চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের তিয়রবিলা গ্রামের মসলেম উদ্দীনের ছেলে। কয়েক বোনের একভাই জাকির কিছুদিন আগে চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেফতার হয়। মাস দেড়েক হাজতও খাটে। জামিনে মুক্ত হয়ে সে তার বড় বোন জাহানারা খাতুনের বাড়ি হরিণাকুণ্ডুর বেড়া আন্দুলিয়ায় অবস্থান নেয়। ভাগ্নে অসুস্থ হলে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানেই ছিলো জাকির। সেখান থেকে তাকে একজন মোবাইলফোনে ডেকে নেয়। এরপর খোঁজ না মেলায় পরিবারের সদস্যদের মাঝে নেমে আসে অজানা আতঙ্ক। পরে তারই মোবাইলফোন দিয়ে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। গতকাল তিয়রবিলাস্থ জাকিরের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, তার কয়েক বোন অনিশ্চয়তার প্রহর গুনছেন। পিতা ঘরের বারান্দায় নির্বাক বসে।
পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, গত কয়েকদিন ধরেই মোবাইলফোনে মুক্তিপণের টাকা কমানোর দরকষাকষি করা হচ্ছে। অতো টাকা পাবো কোথায়? অপরদিকে গ্রামের অনেকেই মন্তব্য করতে গিয়ে সন্দেহের কণ্ঠে বলেন, জাকির নিজেই তো সন্দেহভাজন। তাকে আবার কারা অপহরণ করলো? মোটরসাইকেল নিয়ে সারাদিন ভুমভাম করে বেড়ায় যে জাকির, তাকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির বিষয়টি বিশ্বাস করা কঠিন।
|
|