চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের মুখপত্র
  
 চুয়াডাঙ্গা, মঙ্গলবার, ০৭ আগস্ট ২০১২ সাল   
 
 আজকের পত্রিকা  প্রথম পাতা  শেষের পাতা  অন্যান্য পাতা  সম্পাদকীয়  Contact us  History of Chuadanga 
  আজকের সর্বশেষ সংবাদ      ¤ মঙ্গল গ্রহের লাল মাটিতে কৌতূহলী কৌতূহল ¤  ¤ চুয়াডাঙ্গায় ৪০৪ জন দ্বৈত ভোটার হিসেবে চিহ্নিত ¤  ¤ আন্দুলবাড়িয়া-পাঁকা সড়কের গ্যাং কোয়ার্টার রেলগেটে ফের ছিনতাই ¤  ¤ এসএসসি ও এইচএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে মেডিকেলে ভর্তির প্রস্তাব ¤  ¤ কিশোরী এক যুবকের সাথে থানায় হাজির হয়ে বললো, আমরা বিয়ে করেছি ¤  ¤ দামুড়হুদা ডুগডুগির কয়েকটি পয়েন্টে বসছে জমজমাট জুয়ার আসর ¤ 
 আজ পাঠক সংখ্যাঃ ২৫৬৪ জন 
 এই পর্যন্ত পাঠক সংখ্যাঃ ৯৬৫৭৩৪১ জন 
 
 পুরানো সংখ্যা 
 

 
Zaman Group Click here
 
  
  
 
click here
 
  
 গৃহশিক্ষকের কাছে আমার মতো কোনো ছাত্রী যেন প্রতারিত না হয় 

শিগগিরই মদনার আমিনুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা


মদনা থেকে ফিরে আলম আশরাফ: প্রতারণার শিকার দামুড়হুদা মদনা গ্রামের কলেজছাত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা লোকমোর্চার একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে মদনা গ্রাম। গত ৪ আগস্ট লোকমোর্চার টিমের কাছে এক পর্যায়ে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমিনুল ইসলাম অকপটে স্বীকার করেন তার অপকর্মের কথা। এ বিষয়ে লোকমোর্চা আরেক দফা তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষক আমিনুলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের মদনা গ্রামের পশ্চিমপাড়ার মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে একই উপজেলার জয়রামপুর ডিএস দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক। এ ছাড়া এলাকায় প্রাইভেট শিক্ষক হিসেবে তার বেশ যশ আছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি অনেক ছাত্রীর সর্বনাশ করেছেন। এরকমই অভিযোগ করেছেন একই পাড়ার তার এক সময়ের প্রাইভেট ছাত্রী। অভিযোগের প্রেক্ষিতে দৈনিক মাথাভাঙ্গায় সংবাদ প্রকাশিত হলে শিক্ষকের মুখোশ খুলে দেয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে প্রতারিত কলেজছাত্রী। সে গত ৩০ জুলাই জেলা লোকমোর্চার সভাপতি বরাবর অভিযুক্ত লম্পট শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে। দরখাস্তে সে জানায়, বিয়ের প্রলোভন দিয়ে লম্পট শিক্ষক আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ ৪ বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। মোবাইলে দিয়েছেন আপত্তিকর অশ্লীল এসএমএস, ও অশ্লীল কথাবার্তার অনেক চিঠিপত্র। এ ছাড়া বাইরে থেকে বিয়ে এলেও তিনি বারবার ভেঙে দিয়েছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৪ আগস্ট জেলা লোকমোর্চার ৮ সদস্যের একটি টিম মদনা গ্রামে সরেজমিন পরিদর্শনে যায়। আলাদা আলাদাভাবে অভিযোগকারী কলেজছাত্রী ও অভিযুক্ত শিক্ষকের কথা শোনেন লোকমোর্চার নেতৃবৃন্দ। অভিযুক্ত শিক্ষক আমিনুল ইসলাম প্রথমে তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সব মিথ্যা দাবি করলেও লোকমোর্চার নেতৃবৃন্দের প্রশ্নের মুখে এক পর্যায়ে অভিযোগ সব স্বীকার করেন বলে লোকমোর্চা মাথাভাঙ্গাকে জানায়।
প্রতারিত কলেজছাত্রী লোকমোর্চার নেতৃবৃন্দের সামনে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, প্রাইভেট শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার মতো অনেক মেয়ের সর্বনাশ করেছেন। আমি চাই তার এমন শাস্তি হোক, আর যেন কোনো গৃহশিক্ষকের কাছে কোনো ছাত্রী প্রতারণার শিকার না হয়। লোকমোর্চার নেতৃবৃন্দের কাছে গ্রামের সাধারণ মানুষও শিক্ষক আমিনুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুকর্মের অভিযোগ করেন বলে লোকমোর্চার নেতৃবৃন্দ জানান। পরিদর্শন টিমে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা লোকমোর্চার সভাপতি অ্যাড. আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কোহিনুর বেগম, প্রচার সম্পাদক শাহিন সুলতানা মিলি, নির্বাহী সদস্য লিটু বিশ্বাস, জুলিয়াস আহমেদ মিল্টু ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা লোকমোর্চার সভাপতি শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস।
এ বিষয়ে গতরাতে চুয়াডাঙ্গা জেলা লোকমোর্চার সভাপতি অ্যাড. আলমগীর হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, মদনার কলেজছাত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে লোকমোর্চা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে। তাতে অভিযোগের যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে আরেক দফা তদন্ত শেষে অভিযুক্ত শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


 অনলাইন জরিপ 
 দৈনিক মাথাভাঙ্গা’র ওয়েব ঠিকানা www.mathabhanga.com সকলকে জানান। মাথাভাঙ্গার ইন্টারনেট সংস্করণ অব্যাহত রাখতে পাঠকসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। .................. ................................. ................................. চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের উন্নয়নে অন্যতম অন্তরায় বিদ্যুত। এ মন্তব্য সমর্থন করেন কি?  
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই
 এই জরিপ বন্ধ আছে। 
 ভোট দিয়েছেন ২৮২৫২ জন 

  
 
০৭৬১-৬৩৭৪৭, ০১৭১১৩৮৩৩০৩ 
 
পরীক্ষার ফলাফলের জন্য এখানে ক্লিক করুন