|
|
গাংনীর পৃথক দুটি স্থান থেকে ৪টি বোমা উদ্ধার : সহড়াবাড়ীয়া গ্রামে বোমা বিস্ফোরণ
গাংনী প্রতিনিধি: মেহেরপুর গাংনী উপজেলার পুরাতন মটমুড়া গ্রাম থেকে ১টি এবং মানিকদিয়া গ্রাম থেকে ৩ বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সকালে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ বোমাগুলো উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মানিকদিয়া গ্রামের প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হকের বাড়ির সামনে ২টি ও তার ভাই আমিরুল ইসলামের বাড়ির সামনে ১টি বোমা দেখে পুলিশে খবর দেয়া হয়। হেমায়েতপুর পুলিশ ক্যাম্পের হাবিলদার আবুল কাশেম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বোমাগুলো উদ্ধার করেন। নাশকতা সৃষ্টির জন্য কেউ বোমাগুলো রাখতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
অপরদিকে ১১টার দিকে পুরাতন মটমুড়া গ্রামের সুপদ হালদারের বাড়ির উঠোনে ১টি বোমা পড়ে থাকতে দেখে কুমারীডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পে খবর দেয়া হয়। এসআই সবুর খান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বোমাটি উদ্ধার করেন। তিনি জানান, আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য বোমাটি রাখা হয়ে থাকতে পারে।
এদিকে যুগিরগোফা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিনের সহড়াবাড়ীয়া গ্রামের বাড়িতে গত বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে ১টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। একই সময়ে রুহুল আমিনের প্রবাসী প্রতিবেশী আশাদুল ইসলামের বাড়ির সামনে আরেকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। খবর পেয়ে গতকাল সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন হেমায়েতপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই কবির হোসেন শেখ। তবে বিস্ফোরিত বোমার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কবির হোসেন শেখ। চাঁদার দাবিতে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা বাড়িতে বোমার বিস্ফোরণ এবং জুগিরগোফা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তালা লাগিয়ে দিয়েছে মর্মে গাংনী থানায় একটি জিডি করেছেন প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন।
বোমা উদ্ধার ও বিস্ফোরণ বিষয়ে গাংনী থানার ওসি বিমল কৃষ্ণ মল্লিক জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত বোমাগুলো বোমা নয়। আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য কেউ বোমা সাদৃশ্য বস্তু বানিয়ে রেখেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। তবে এর সাথে যারা জড়িত থাক তাদেরকে খুঁজে বের করতে ইতোমধ্যে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
|
|