চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের মুখপত্র
  
 চুয়াডাঙ্গা, বৃহস্পতিবার, ০৫ জুলাই ২০১২ সাল   
 
 আজকের পত্রিকা  প্রথম পাতা  শেষের পাতা  অন্যান্য পাতা  সম্পাদকীয়  Contact us  History of Chuadanga 
  আজকের সর্বশেষ সংবাদ      ¤ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা রেল স্টেশনের অদূরে লাল ব্রিজের কাছে ট্রেনে কাটা পড়ে এক যুবকের মৃত্যু ¤  ¤ যশোরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক রেললাইনে ¤ 
 আজ পাঠক সংখ্যাঃ ৩৫৬৫ জন 
 এই পর্যন্ত পাঠক সংখ্যাঃ ৯৫৮০২৮৬ জন 
 
 পুরানো সংখ্যা 
 

 
Zaman Group Click here
 
  
  
 
click here
 
  
 কুইক রেন্টাল : বিদ্যুত উত্পাদন নেই মাসে ব্যয় ৫শ কোটি টাকা 

স্টাফ রিপোর্টার: বিদ্যুত উত্পাদন নেই, তবু মাসে শত কোটি টাকা দিতে হচ্ছে। দ্রুত ভাড়ায় আনা (কুইক রেন্টাল) বিদ্যুতকেন্দগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত বিদ্যুত পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু তাই বলে এর খরচ থেমে নেই। বিদ্যুত উত্পাদন না করলেও এর পেছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্র জানায়, এমন অনেক বিদ্যুতকেন্দ আছে যেখান থেকে এক ইউনিটও বিদ্যুত উত্পাদন হয়নি কিন্তু ওই মাসে তাদেরকে কয়েক কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। কোন কোন কেন্দ্রে এক ইউনিট বিদ্যুতের দাম দেয়া হয়েছে ৪১৫ টাকা। বিদ্যুতের দামের চেয়ে নির্ধারিত খরচ বেশি হচ্ছে। উত্পাদন ক্ষমতার পুরোটা করতে পারছে না বলে খরচ বাড়ছে। কম উত্পাদনের ফলে উত্পাদন খরচ বেশি হচ্ছে।
খুলনা ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্র থেকে এপ্রিল মাসে এক ইউনিটও বিদ্যুত উত্পাদন হয়নি। তবু ওই মাসে তাদেরকে শোধ করা হয়েছে ১০ লাখ ৭১ হাজার ৯০২ ডলার বা ৮ কোটি ৭৫ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫১ টাকা। এভাবে প্রতিটি ভাড়ায় আনা বিদ্যুতকেন্দ্রের উত্পাদনের সাথে কোন সামঞ্জস্য না রেখেই শত কোটি টাকা শোধ করা হচ্ছে। বিদ্যুত উত্পাদন হোক না হোক ভাড়ায় আনা কেন্দ্রগুলোর জন্য মাসে নির্ধারিত খরচ হচ্ছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। বছর ঘুরে যার পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা। আর বিদ্যুত খাতে এ বছর মোট প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভাড়ায় আনা বিদ্যুতকেন্দ্রগুলোর স্থায়ী বা নির্ধারিত (ক্যাপাসিটি পেমেন্ট) খরচ মেটাতে হিমসিম খাচ্ছে পিডিবি। জ্বালানি তেলের খরচ বেশি হচ্ছে বলা হলেও নির্ধারিত খরচের অর্থ যোগান দিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিদ্যুত উত্পাদন হোক না হোক নির্ধারিত অর্থ তাদের দিতেই হয়। ভাড়ায় আনা বিদ্যুত কেন্দ্রগুলোর স্থায়ী খরচের তুলনায় জ্বালানি তেলের খরচ খুবই কম। এইসব বিদ্যুত কেন্দ্রচালাতে স্থায়ী যে খরচ তার তুলনায় জ্বালানি খরচ প্রায় চার শতাংশ কম। ১০টি দ্রুত ভাড়ায় আনা কেন্দ্রের মার্চ মাসের হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এরজন্য নির্ধারিত খরচ হয়েছে ১১২ কোটি ১৩ লাখ ৬৪ হাজার ৩০৯ টাকা। আর জ্বালানি খরচ হয়েছে ৪ কোটি ৭২ লাখ ১৯ হাজার ৫৫ দশমিক ৩৬ টাকা।
যারা কেন্দ্র স্থাপনে বিনিয়োগ করেছেন তারা বিদ্যুত উত্পাদন না করলেও নির্ধারিত অঙ্কের টাকা পেয়ে যাচ্ছেন। চুক্তি শেষ হওয়ার নির্ধারিত দিনের মধ্যে লাভসহ সমুদয় অর্থ তারা পাচ্ছেন। বিদ্যুত উত্পাদনের সাথে এই অর্থ লেনদেনের খুব বেশি সম্পর্ক নেই। বিদ্যুতকেন্দ্র উত্পাদনের জন্য কাগজে-কলমে তৈরি থাকলেই হলো। বিদ্যুত যতটা দেয়ার কথা ছিলো তা পুরোটা দিতে না পারলেও বিনিয়োগকারীর তাতে কোনো লোকসান নেই। আর এখন তেল সরবরাহ করা যাচ্ছে না এ অভিযোগে বেশিরভাগ কেন্দ্রই বন্ধ থাকছে। আসলে কতো উত্পাদন ক্ষমতা বজায় রেখে বন্ধ রাখছে তার কোন তদারকি হচ্ছে না।
ভাড়ায় আনা বিদ্যুতকেন্দ্রগুলোর কয়েক মাসের শোধ করা বিল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিদ্যুতের জন্য প্রতি মাসে যে অর্থ শোধ করা হচ্ছে তার থেকে কয়েকগুন বেশি দিতে হচ্ছে নির্ধারিত খরচ (ক্যাপাসিটি পেমেন্ট)। চলতি বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের শোধ করা বিল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, যখন বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকে তখন ভাড়ায় আনা কেন্দ্রগুলো থেকে কম উত্পাদন করা হয়েছে। যেমন, ভাড়ায় আনা ১২টি কেন্দ্র থেকে এপ্রিল মাসে উত্পাদন করেছে ২৩ কোটি ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৬২৪ ইউনিট বা কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুত।
এপ্রিল মাসে এ কেন্দ্রগুলোকে মোট শোধ করা হয়েছে ১৪৭ কোটি ৫১ লাখ ৪৭ হাজার ২২৪ টাকা। এই খরচের মধ্যে নির্ধারিত খরচ, বিদ্যুতের দাম আর তেলের দাম আছে। নির্ধারিত খরচ হয়েছে ২৫৭ কোটি ৮৯ লাখ ৩৮ হাজার ৩৫৯ টাকা। এরমধ্যে শুধু বিদ্যুতের দাম দেয়া হয়েছে মাত্র ৭ কোটি ২৪ লাখ চার হাজার ৩৯৯ টাকা।
এ বছরের মার্চ মাসে নয়টি দ্রুত ভাড়ায় আনা বিদ্যুত কেন্দ্রের জন্য মোট খরচ হয়েছে ১২৬ কোটি ৯২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৪৭ টাকা। এরমধ্যে নির্ধারিত খরচ ছিলো ১১২ কোটি ১৩ লাখ ৬৪ হাজার ৩০৯ টাকা। আর শুধু বিদ্যুতের জন্য দেয়া হয়েছে মাত্র আট কোটি ৪৮ লাখ ২৯ হাজার ০৯৫ টাকা। জ্বালানি তেলের জন্য খরচ হয়েছে মাত্র পাঁচ লাখ ৭৭ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা। এই টাকা খরচ করে বিদ্যুত পাওয়া গেছে ২৭ কোটি ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৫ কিলোওয়াট আওয়ার।
ফেব্রুয়ারি মাসে ভাড়ায় আনা ১২টি বিদ্যুত্ কেন্দ থেকে মোট উত্পাদন হয়েছে ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪০ ইউনিট বা কিলোওয়াট ঘণ্টা। এর জন্য মোট খরচ হয়েছে ১৬২ কোটি ৬১ লাখ ৪১ হাজার ৩৬১ টাকা। মোট খরচের মধ্যে নির্ধারিত খরচই ছিলো ১৬০ কোটি ২১ লাখ ১০ হাজার ৪৪৮ টাকা। আর তেলের জন্য খরচ হয়েছে মাত্র আট কোটি ৬০ লাখ ৯৭ হাজার ৫১৭ টাকা। শুধু বিদ্যুতের জন্য দেয়া হয়েছে ১০ কোটি ৯৭ লাখ ১৯ হাজার ৬৩২ টাকা।
জানুয়ারি মাসে ১০টি দ্রুত ভাড়ায় আনা কেন্দ্র থেকে বিদ্যুত পাওয়া গেছে প্রায় ২১ কোটি ইউনিট বা কিলোওয়াট ঘণ্টা। এরজন্য মোট খরচ হয়েছে ৩৬৩ কোটি ৬৬ লাখ ৪১ হাজার ৬০২ টাকা। এরমধ্যে স্থায়ী খরচ ১৩৯ কোটি ৪২ লাখ ২৯ হাজার ৪২৯ টাকা। এছাড়া জ্বালানি তেলের জন্য ২১৪ কোটি ৫১ লাখ ৪০ হাজার ৭ টাকা এবং শুধু বিদ্যুতের জন্য আট কোটি ৭২ লাখ ৭২ হাজার ১৬৯ টাকা।
বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন এক কর্তকর্তা জানান, কতোদিন কেন্দ চলবে, চুক্তির কতদিনের মধ্যে উত্পাদনে আসবে আর কোথায় কেন্দ্র স্থাপন করা হবে এই বিষয়গুলোসহ বেশকিছু বিষয়ের ওপর নির্ভর করে কেন্দ্র পরিচালনার খরচ ঠিক করা হয়। চুক্তির পর যে কেন্দ্র যতো দ্রুত উত্পাদনে আসবে আর কেন্দ্র যতো স্বল্প মেয়াদি তার ক্যাপাসিটি পেমেন্ট বা নির্ধারিত খরচ বেশি। যে কেন্দ্র যতো দীর্ঘ মেয়াদি তার খরচ কম।
কতো বছরের জন্য কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করেও খরচ বাড়ছে। যে কেন্দ্র ৩ বছরের জন্য তার খরচ বেশি। আর যে কেন্দে র চুক্তি যত বেশিদিনের তার খরচ তত কম। যেমন সিদ্ধিরগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াটের দুটি কেন্দ আছে। যার একটি তিন বছরের অন্যটি পাঁচ বছরের চুক্তি। ফেব্রুয়ারি মাসে তিন বছরের জন্য প্রতি ইউনিট দাম পড়েছে ২২ টাকা ৭৭ পয়সা এবং পাঁচ বছরেরটিতে প্রতি ইউনিট দাম পড়েছে ১৬ টাকা ৪৫ পয়সা। প্রতি ইউনিটে ১১ টাকা ৩২ পয়সা কম। আবার প্রায় দশগুণ বেশি উত্পাদন করেও সমপরিমাণ অর্থ দিতে হচ্ছে। ঘোড়াশাল ৭৮ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ কেন্দ র মার্চ মাসে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়েছে ৩৩৭ টাকা ১০ পয়সা। মার্চ মাসে এক শতাংশ প্লান্ট ফ্যাক্টরে বিদ্যুত পাওয়া গেছে মাত্র পাঁচ লাখ ৭৭ হাজার ৯৮৭ দশমিক পাঁচ ইউনিট বা কিলোওয়াট ঘণ্টা। আর এরজন্য তাদের মোট দিতে হয়েছে ২৩ লাখ ৭৫ হাজার ১৪৬ দশমিক ৪৯ ডলার। অথচ ফেব্রুয়ারি মাসে এই কেন্দ থেকে মার্চ মাসের চেয়ে ৫৬ লাখ ৫৮ হাজার কিলোওয়াট ঘণ্টা বেশি উত্পাদন করেও মাত্র ২০ হাজার ডলার বেশি শোধ করতে হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে গড়ে বিদ্যুতের দাম পড়েছে মাত্র ৩২ টাকা ৩০ পয়সা আর মার্চ মাসে প্রতি ইউনিট ৩৩৭ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাত্ বিদ্যুত কম ফলে দাম বাড়লো। আর বেশি উত্পাদনের জন্য দাম কমলো। জানুয়ারি মাসে এই কেন্দ্রের বিদ্যুতের দাম ছিল মাত্র ১২ টাকা ২৭ পয়সা। জানুয়ারি মাসে এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুত্ উত্পাদনও হয়েছে বেশি। এ মাসে ৩১ দশমিক ২৪ শতাংশ প্লান্ট ফ্যাক্টরে এক কোটি ৮১ লাখ ১৫ হাজার ৬১২ দশমিক ৫ ইউনিট বিদ্যুত উত্পাদন হয়েছে। এ মাসে মোট শোধ করতে হয়েছে ২৬ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৭ ডলার বা ২১ কোটি ৫৫ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯৯ দশমিক ৯ টাকা। অর্থাত্ ১০ গুণ বেশি উত্পাদনে যে পরিমাণ অর্থ শোধ করতে হচ্ছে ১০ গুণ কম উত্পাদন করেও প্রায় সমান শোধ করতে হচ্ছে।
বিদ্যুত উত্পাদনের ওপরও নির্ভর করছে এর দাম। কম উত্পাদন করলে বেশি দাম আর বেশি করলে কম দাম। নির্ধারিত খরচ আছেই এজন্য এই অবস্থা। যেমন পাগলা ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ কেন্দে এপ্রিল মাসে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়েছে ৪১৫ টাকা ৪০ পয়সা। অথচ ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতি ইউনিটের দাম পড়েছে ৫৮ টাকা ০৭ পয়সা। এপ্রিল মাসে এই কেন্দ থেকে বিদ্যুত্ উত্পাদন হয়েছে দুই লাখ ১৬ হাজার ৪৪০ ইউনিট বা কিলোওয়াট ঘণ্টা। এরজন্য মোট শোধ করতে হয়েছে ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৭৬৭ ডলার বা আট কোটি ৬৫ লাখ এক হাজার ২৬৪ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে এই কেন্দ থেকে বিদ্যুত্ পাওয়া গেছে ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৪৭০ ইউনিট। এরজন্য মোট শোধ করতে হয়েছে ১০ লাখ ৪৯ হাজার ২৭২ দশমিক ৮৭ ডলার বা আট কোটি ৫৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৫০ টাকা। এরমধ্যে স্থায়ী খরচ ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৫২ দশমিক ৬৫ ডলার বা আট কোটি ৪৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৫ টাকা।
বিদ্যুত উত্পাদন কম-বেশি হওয়ায় দামের পার্থক্যও হচ্ছে আকাশ পাতাল। সিদ্ধিরগঞ্জ ৩ বছর মেয়াদি ১০০ মেগাওয়াটের কেন্দে এপ্রিল মাসে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়েছে ৩৬৩ টাকা ০৪ পয়সা। অথচ ফেব্রুয়ারি মাসে এ দাম ছিল মাত্র ২২ টাকা ৭৭ পয়সা। ৩৪০ টাকা ২৭ পয়সা বেশি।
এপ্রিল মাসে এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুত পাওয়া গেছে মাত্র দমমিক ৬৩ প্লান্ট ফ্যাক্টরে চার লাখ ৩২ হাজার ৪৮০ ইউনিট। এই মাসে তাকে মোট শোধ করতে হয়েছে ১৭ লাখ ৮১ হাজার ৭২৩ দশমিক ০৮ ডলার বা ১৪ কোটি ৫৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৭৬ টাকা। এ মাসে নির্ধারিত খরচ ছিল ১৮ লাখ ৩৮ হাজার ৭৮৪ ডলার বা ১৫ কোটি দুই লাখ ২৮ হাজার ৬৫৩ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে এ কেন্দ থেকে বিদ্যুত্ পাওয়া গেছে এক কোটি ৯৩ লাখ ৫৯ হাজার ৪০৮ ইউনিট। এই মাসে মোট শোধ করা হয়েছে ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫৯ দশমিক ৫০ ডলার বা ১২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৩১১ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসের চেয়ে এপ্রিল মাসে ১২ লাখ ৩৩ হাজার ১২০ ইউনিট বিদ্যুত্ বেশি উত্পাদন হয়েছে। অথচ এপ্রিল মাসের চেয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে ২৬ হাজার ৩০৪ ডলার বা ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৩৬ টাকা বিল শোধ করা হয়েছে।
মোট ১৭টি দ্রুত ভাড়ায় আনা বিদ্যুত্ কেন্দ আছে যার মোট উত্পাদন ক্ষমতা এক হাজার ৩৭৯ মেগাওয়াট। এরমধ্যে চারটি গ্যাসের বাকি সব ডিজেল চালিত। আর এদের মেয়াদকাল তিনটি তিন বছরের বাকিগুলো পাঁচ বছরের। এছাড়া আরো ভাড়ায় আনা কেন্দ আছে ১৮টি। যার উত্পাদন ক্ষমতা ৮৪০ দশমিক ৪৫ মেগাওয়াট।
কুইক রেন্টাল বা দ্রুত ভাড়ায় আনা কেন্দ্রের অল্প কিছু ভালো উদাহরণ আছে। কিছু কেন্দ্র পুরোমাত্রায় চলছে। আর যেগুলো পুরোপুরি চলছে তাদের দামও কম পড়ছে। যেমন আশুগঞ্জ ৫৩ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ কেন্দ । এই কেন্দ থেকে এপ্রিল মাসে ৮৯ দশমিক ০২ প্লান্ট ফ্যাক্টরে চলেছে আর সেজন্য এ মাসে দাম পড়েছে প্রতি ইউনিট মাত্র চার টাকা ৭৪ পয়সা। একইভাবে মার্চ মাসে প্রতি ইউনিট চার টাকা ৩৮ পয়সা আর ফেব্রুয়ারি মাসে চার টাকা ৭৪ পয়সা।
কুইক রেন্টাল বা দ্রুত ভাড়ায় আনা কেন্দ্রের অল্প কিছুদিন আগে যা ঠিকমতো বা পুরোমাত্রায় চলছে। আর যেগুলো পুরোপুরি চলছে তাদের দামও কম পড়ছে। যেমন, আশুগঞ্জ ৫৩ মেগাওয়াট বিদ্যুতকেন্দ্র। এ কেন্দ্র থেকে এপ্রিল মাসে ৮৯ দশমিক ০২ প্লান্ট ফ্যাক্টরে চলেছে আর সেজন্য এ মাসে দাম পড়েছে প্রতি ইউনিট মাত্র ৪ টাকা ৭৪ পয়সা। একইভাবে মার্চ মাসে প্রতি ইউনিট চার টাকা ৩৮ পয়সা আর ফেব্রুয়ারি মাসে চার টাকা ৭৪ পয়সা।


 অনলাইন জরিপ 
 দৈনিক মাথাভাঙ্গা’র ওয়েব ঠিকানা www.mathabhanga.com সকলকে জানান। মাথাভাঙ্গার ইন্টারনেট সংস্করণ অব্যাহত রাখতে পাঠকসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। .................. ................................. ................................. চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের উন্নয়নে অন্যতম অন্তরায় বিদ্যুত। এ মন্তব্য সমর্থন করেন কি?  
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই
 এই জরিপ বন্ধ আছে। 
 ভোট দিয়েছেন ২৮২৫২ জন 

  
 
০৭৬১-৬৩৭৪৭, ০১৭১১৩৮৩৩০৩ 
 
পরীক্ষার ফলাফলের জন্য এখানে ক্লিক করুন