চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের মুখপত্র
  
 চুয়াডাঙ্গা, বৃহস্পতিবার, ০৫ জুলাই ২০১২ সাল   
 
 আজকের পত্রিকা  প্রথম পাতা  শেষের পাতা  অন্যান্য পাতা  সম্পাদকীয়  Contact us  History of Chuadanga 
  আজকের সর্বশেষ সংবাদ      ¤ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা রেল স্টেশনের অদূরে লাল ব্রিজের কাছে ট্রেনে কাটা পড়ে এক যুবকের মৃত্যু ¤  ¤ যশোরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক রেললাইনে ¤ 
 আজ পাঠক সংখ্যাঃ ৩৫৭৩ জন 
 এই পর্যন্ত পাঠক সংখ্যাঃ ৯৫৮৩৮৮৪ জন 
 
 পুরানো সংখ্যা 
 

 
Zaman Group Click here
 
  
  
 
click here
 
  
 সন্ধান মিলেছে ঈশ্বর কণার অনুরূপ কণার 


মাথাভাঙ্গা মনিটর: নিউক্লিয়ার গবেষণার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় সংস্থা সার্নের গবেষকেরা নতুন একটি অতিপারমাণবিক কণার খোঁজ পাওয়ার তথ্য জানিয়েছেন। গতকাল বুধবার যুক্তরাজ্য ও জেনেভায় আলাদা সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি করেছেন। গবেষকেদের দাবি, এ কণাটি হিগস-বোসন বা ঈশ্বর কণার অভিন্ন বৈশিষ্ট্যের। ভূগর্ভস্থ লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে বিগ ব্যাং ঘটিয়ে এ কণার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছেন সার্ন গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা।
খুঁজে পাওয়া নতুন কণাটির বৈশিষ্ট্য হিগস বোসনের মতো হলেও এটিই হিগস-বোসন কণা কি-না, তা জানতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছেন তারা। ২০১০ সালে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে মিনি বিগ ব্যাং ঘটানোর পর থেকে অপেক্ষার পালা শুরু। কিন্তু এ কণার অস্তিত্ব আদৌ আছে কি নেই, সে তথ্য জানার অধীর অপেক্ষায় ছিলেন গবেষকেরা। কারণ, এ তথ্য জানতে পারলে মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য জানতে পারবেন তারা।
অবশেষে বস্তুর ভর কীভাবে সৃষ্টি হয়, এ তথ্য জানার ৪৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। গবেষকেরা দাবি করেছেন, প্রাপ্ত উপাত্তে ১২৫-১২৬ গিগা ইলেকট্রন ভোল্টের কণার মৃদু আঘাত অনুভূত হওয়ার তথ্য তারা সংরক্ষণ করতে পেরেছেন। এ কণা প্রোটনের চেয়ে ১৩০ গুনেরও বেশি ভারি। সার্নে এ ঘোষণা দেয়ার পর হাততালিতে ভরে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। গবেষক হিগস নিজেও এ পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট।
এ প্রসঙ্গে হিগস জানিয়েছেন, আমার জীবদ্দশাতেই যে এর ফল আমি দেখে যেতে পারবো, তা কল্পনাও করিনি। আমার জন্য এ এক দারুণ আনন্দের মুহূর্ত।
যুক্তরাজ্যের সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ফ্যাসিলিটিজ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী জন ওমার্সলি জানিয়েছেন, আমি নিশ্চিত যে এমন একটি কণার খোঁজ মিলেছে, যা হিগস-বোসন কণার অভিন্ন বৈশিষ্ট্যের। সার্নের মুখপাত্র জো ইনকানডেলা জানিয়েছেন, যদিও এটি প্রাথমিক ফলাফল। কিন্তু প্রাথমিক ফলে যে প্রমাণ মিলেছে, তা হিগস-বোসনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’
উল্লেখ্য, হিগস-বোসন খুঁজে পাওয়ার বিষয়ে গবেষকেরা সব সময়ই ইতিবাচক ধারণা করে আসছেন। এ ফলাফল ঘোষণা করার আগে ঈশ্বর কণার বা হিগস-বোসনের ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন গবেষকেরা।
পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ও বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামে নামকরণ করা হিগস-বোসন কণাটি ঈশ্বর কণা হিসেবেও পরিচিত। বিজ্ঞানী হিগস ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসেবে এমন একটি কণার ধারণা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে। এর ফলে এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এ কণাটিই ঈশ্বর কণা নামে পরিচিতি পায়। কীভাবে পদার্থ তৈরি হয়, বিষয়টি জানতে এ কণার খোঁজে জেনেভার কাছে ভূগর্ভে ২০১০ সালে মিনি বিগ ব্যাং ঘটিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।


 অনলাইন জরিপ 
 দৈনিক মাথাভাঙ্গা’র ওয়েব ঠিকানা www.mathabhanga.com সকলকে জানান। মাথাভাঙ্গার ইন্টারনেট সংস্করণ অব্যাহত রাখতে পাঠকসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। .................. ................................. ................................. চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের উন্নয়নে অন্যতম অন্তরায় বিদ্যুত। এ মন্তব্য সমর্থন করেন কি?  
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই
 এই জরিপ বন্ধ আছে। 
 ভোট দিয়েছেন ২৮২৫২ জন 

  
 
০৭৬১-৬৩৭৪৭, ০১৭১১৩৮৩৩০৩ 
 
পরীক্ষার ফলাফলের জন্য এখানে ক্লিক করুন