|
|
কোটচাঁদপুরে বলুহর কেন্দ্রীয় হ্যাচারি কমপ্লেক্সের রেস্টহাউজে কেয়ারটেকার না থাকায় মূল্যবান সম্পদ নষ্ট হচ্ছে
কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি: কোটচাঁদপুরে বলুহর কেন্দ্রীয় হ্যাচারি কমপ্লেক্সের রেস্টহাউজে কেয়ারটেকার না থাকায় রেস্টহাউজটির সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ ব্যাহত হচ্ছে।
জানা গেছে, বলুহর হ্যাচারি কমপ্লেক্সে রেস্টহাউজে এসি ও নন এসি রুম রয়েছে। মুন্না নামের একজন পকেট গার্ড রেস্টহাউজটির দেখভালের দায়িত্বে ছিলো। সার্বক্ষণিক কেয়ারটেকার থাকায় সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে তা পরিচালিত হয়ে আসছিলো। অভিয়োগ আছে, কেয়ারটেকার মুন্না হ্যাচারি কর্তৃপক্ষের অগোচরে রেস্টহাউজে বহিরাগতদের আশ্রয় দিয়ে আসছিলো। এরই ধারাবাহিকতায় সে গত ২৩ মে রাতে ১ জোড়া কপোত-কপোতিকে অর্থের বিনিময়ে ওই রেস্টহাউজে রাতযাপনের সুযোগ করে দেয়। এর আগে শহরে ফারুক নামে এক ব্যবসায়ী একটি এনজিও’র দু কর্মকর্তা রাতযাপন করবে বলে হ্যাচারি ম্যানেজারের সাথে মোবাইলফোনে কথা বলে দুটি রুম বুক করে। এনজিও কর্মকর্তার আড়ালে মোটরসাইকেলযোগে রাত ৮টার দিকে এক ব্যক্তি কলগার্ল নিয়ে রেস্টহাউজে ওঠে। রেস্টহাউজে দু পুরুষ ছেলে ওঠার কথা থাকলেও মেয়ে নিয়ে ওঠার বিষয়টি কেয়ারটেকার মুন্না হ্যাচারি কর্মকর্তার নিকট চেপে যায়। রাতেই কলগার্ল নিয়ে রাতযাপনের বিষয়টি ফাঁস হয়ে গেলে এ নিয়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। এ অপরাধে হ্যাচারি কর্মকর্তা রেস্টহাউজের কেয়ারটেকার পকেট গার্ড মুন্নাকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেন। সেই থেকে রেস্টহাউজটি কেয়ারটেকার বিহীন অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে রেস্টহাউজে কেয়ারটেকার না থাকায় পরিচালনা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সেই সাথে নষ্ট হচ্ছে রেস্টহাউজের মূল্যবান জিনিসপত্রও।
|
|